Skip to main content

স্বপ্ন দেখেছি আজও দেখি ||

স্বপ্ন দেখেছি আজও দেখি ||
দ্বীপশিখার আলোর তলায় বসে আছি তোমায় নিয়ে,
এলোমেলো বইগুলোর পৃষ্ঠাগুলি আজও উড়ে চলেছে গতিতে।
হ্যাঁ মৃদু ঝুঁকে দেখো!
হাত রেখে আমার হাতে,
গভীরতাকে পাবে খুব কাছে থেকে।
যদিও প্রেমনির্ভর নয়;
পাবে সুগন্ধের পরিপূর্ণতাকে। আর তুমি পাবে তোমার ভিতরের আমার পরিভাষাকে!সকালের কুয়াশাকে দূরে সরিয়ে সর্ষের ক্ষেতের ফুলগুলোর মধ্যে তোমায় দেখেছি আকাশ কুসুম
স্মৃতিচেতনার ঝরনা আজ বহমান হৃদয়ের সুরের দোদুল্যমান গতিতে।
স্বপ্ন দেখেছি,আজও দেখি! মেঘের ভেলায় দেখেছি তোমায় রামধনু রং এ ভেসে যেতে
আজ জিবনে বসন্ত চলে গেছে!আছে কেবল অশ্রু ধারার স্মৃতি।
তাই শ্রাবণে ভিজতে চাই তোমায় নিয়ে!আমি যখন তোমায় দেখি
তোমার কাজলের শোভা আমায় রঙিন করে তোলে।
মিলিত হবো আমরা দক্ষিনা বাতাসের নিস্তব্ধতায়-,
ঝরে যাবো বারিধারার আবেশের সবুজতায়!!
আমি নির্জনে তোমায় উপলব্ধি করি,
শত তারার মাঝে
সারারাত চেয়ে দেখেছি আর আর লিখেছি আকাশের সমুদ্রে।
আমি তোমায় ভালোবাসতে চেয়েছি ঠিক সুরের বন্ধনের মত
তাই তোমায় চেয়েছি এই হৃদয়ের প্লাবনধারায়।আজ ফুল ফুটুক বা নাই ফুটুক-, এক গোছা রজনী সাজিয়ে দিতে চাই হৃদয়ের প্রাণে।
নাইবা হলো কথা
কথা হবে মনের কুঞ্জনে নীরবে নির্জনে আত্তিক গহন বনে। পদ্মপাতায় শিশিরবিন্দুর জলকণায় দেখি তোমাকে বারে বারে
নৃত্যরত ছন্দময়ীর সুরে!
তোমার চোখের কাজলের অনুরাগ আমি!
স্বপ্নের সৌখিন চাঁদ,বাস্তবের কল্পনায় মৃহমান।
তাই আজও আমার হৃদয় অপেক্ষায় রঙিন রঞ্জনায়।

Comments

Popular posts from this blog

ভালবাসা কোনো মোহ নয়, তা হল দুটি আত্মার আকর্ষন

ভালবাসা কোনো মোহ নয়, তা হল দুটি আত্মার আকর্ষন। তার কার্যক্ষেত্র জড়জগতে নয়, তার বিকাশ আত্মার মাঝে, কেননা ভালবাসা বা প্রেমের পরিপূর্ণরূপ হল ঈশ্বর। প্রেম একটি অপার্থিব শক্তি, দুইটি আত্মার মাঝে স্বর্গীয় আকর্ষন।

জোরাজুরিতে আমার একদমই বিশ্বাস নেই।

জোরাজুরিতে আমার একদমই বিশ্বাস নেই। আমি জানি, জোর করে কোনো কিছু পাওয়া যায়না।পাওয়া গেলেও তা রাখা যায় না।রাখা গেলেও তা মধুর হয় না। কোনো কিছু পেতে চাইলে তা ভালবাসার মাধ্যমেই পেতে হয়। অন্যথায় ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

তুমি, আমি আর সে || পরশ পাথর

আমি- ভেজা মনে দেখেছো কখনো কি করে দাউদাউ করে আগুন লাগে? তুমি- না তো, কি যে বল। এমন হয় বুঝি! আমি শরীর তো দূরের কথা, পা পর্যন্ত কোনদিনও বৃষ্টির জলেই ভিজিয়ে দেখি নি। তাই আগুন যে ভেজা গায়ে লাগে- জানবো কি করে! আমি- কি বিপদ! দেখোনি কারণ দেখতে চাওনি কখনো। বুঝতে চাওনি, কি করে লেলিহান শিখা রক্ত সিক্ত শরীরে জ্বলে! তুমি- উফঃ শুধু মার কাটের কথা, রক্তের কথা- বিষাদ যন্ত্রণা। আমি- কি ভাল লাগে না, জানতাম। তাই বুঝি; সবসময় পেলবতা আমার দুটি চোখে দেখতে চেয়েছিলে? কি ঠিক বললাম তাই তো? তুমি- তা তুমি, যাই বল ঠিক। আর যা বেঠিক, তাও শুনতে ঠিক মনে হয়। আর তাই শেষ জীবনের পাতা ঝরা বসন্তে যখন ফুলের রঙিন শোভা নিয়ে- আত্মার অংশের কথা, গল্প, কবিতা বলতে, বলতে; এসে ছুঁয়ে দিলে- আমার বুক। আমার মনে হল যেন অপেক্ষায় ছিলাম- একদিন পাবো এমন অলীক সুখ। আমি- আহাঃ খুব হয়েছে- দুঃখবিলাসী তুমি, সুখ দিয়ে কি করবে? তোমার তো ওই একই কথা- চলে যাবো, দূরে কোথাও দূরে-দূরে। তুমি- তাই কি তুমি কল্পনার রঙে একা হাতেই নিজের শূন্য সিঁথি লাল করলে? তাই কি তুমি আমাকে ভরা শ্রাবণে ভাসিয়ে চলে গেলে। আমি- না- গো কি করে চলে যেতে পা...