Skip to main content

ভালো থাকুক হারিয়ে যাওয়া প্রিয় মানুষ...



একটা সময় ছিলো যখন
একটা নির্দিষ্ট ফোন
নাম্বার সবসময়ই কল
লিস্টের প্রথমেই
থাকতো।
নাম্বারটা খুজতে
কন্টাক্ট লিস্টে বা
ফোন
বুকে
যাওয়ার প্রয়োজন
ছিলো না।
.
সেই একই নাম্বার
একটা সময় চলে যায়
yesterday
তে। তারপর চলে যায়
আরো পেছনের
তারিখে। এভাবে একটা
সময় আর ডায়াল,
রিসিভ বা মিস
কল লিস্টেও
নাম্বারটা থাকে না।
নাম্বার
টা কন্টাক্ট বা
ফোন বুকে ঘুমিয়ে
থাকে।
.
হঠাৎ হঠাৎ
নাম্বারটাতে কল দিতে
ইচ্ছে
করে।
খুঁজে বের করে কল
দিবো-কি দিবো না,
এই
নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বে
কিছুক্ষণ সময় পার
করে
"না
থাক " এটা বলে আর
কল দেওয়া হয় না।
তারপর
একটা সময় আসে যখন
হঠাৎ আর কল দিতেও
ইচ্ছে করেনা।
.
স্মৃতি তে ধুলো জমে,,,
ঝাপসা হয়ে যায় সব
অতীত। তারও অনেক
পরে একটা সময় আসে
যখন দেখা যায় সেই
নাম্বারটা খুঁজেই
পাওয়া
যায় না,
যে নাম্বারটা এত
ভালো করে মুখস্ত
ছিলো,
সেই নাম্বারটার
শেষের বা মাঝের এক-
দুইটা
সংখ্যা
মনেই পড়ছে না !
.
কোন এক সন্ধ্যায়
হঠাৎ মন খারাপ হয়ে
যায়,
হয়তোবা সেদিন একটু
একটু বৃষ্টি পড়ে,
একঘেয়েমি ঝিরি
ঝিরি বৃষ্টি ।
.
বুকের মধ্যে হঠাৎ
মোচড় দিয়ে উঠে,
একটা
হাহাকার জেগে উঠে ।
নাম্বারটা যে
মানুষটার তার
ছবি মনে ভেসে উঠে।
আচ্ছা,, মানুষটা
এখন
কোথায় আছে,, কেমন
আছে.? হাত
বাড়ালেই
যাকে ছোঁয়া যেত,, চোখ
মেললেই
যাকে
দেখা যেত, সে এখন
যোজন যোজন দূরে।
.
জীবনের ঘাত--
প্রতিঘাতে
বাস্তবতাকে
আমরা
অস্বীকার করতে
পারিনা। তবুও শত
অধিকারের
অভিমান বুকে চেপে
আমরা বেঁচে থাকি।
এভাবেই
একদিন সব লেনদেন
শেষ করে হারিয়ে
যাই
বিষন্ন মেঘমালার
ভীড়ে.....
.
ভালো থাকুক হারিয়ে
যাওয়া প্রিয় মানুষ...

Comments

Popular posts from this blog

ভালবাসা কোনো মোহ নয়, তা হল দুটি আত্মার আকর্ষন

ভালবাসা কোনো মোহ নয়, তা হল দুটি আত্মার আকর্ষন। তার কার্যক্ষেত্র জড়জগতে নয়, তার বিকাশ আত্মার মাঝে, কেননা ভালবাসা বা প্রেমের পরিপূর্ণরূপ হল ঈশ্বর। প্রেম একটি অপার্থিব শক্তি, দুইটি আত্মার মাঝে স্বর্গীয় আকর্ষন।

জোরাজুরিতে আমার একদমই বিশ্বাস নেই।

জোরাজুরিতে আমার একদমই বিশ্বাস নেই। আমি জানি, জোর করে কোনো কিছু পাওয়া যায়না।পাওয়া গেলেও তা রাখা যায় না।রাখা গেলেও তা মধুর হয় না। কোনো কিছু পেতে চাইলে তা ভালবাসার মাধ্যমেই পেতে হয়। অন্যথায় ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

তুমি, আমি আর সে || পরশ পাথর

আমি- ভেজা মনে দেখেছো কখনো কি করে দাউদাউ করে আগুন লাগে? তুমি- না তো, কি যে বল। এমন হয় বুঝি! আমি শরীর তো দূরের কথা, পা পর্যন্ত কোনদিনও বৃষ্টির জলেই ভিজিয়ে দেখি নি। তাই আগুন যে ভেজা গায়ে লাগে- জানবো কি করে! আমি- কি বিপদ! দেখোনি কারণ দেখতে চাওনি কখনো। বুঝতে চাওনি, কি করে লেলিহান শিখা রক্ত সিক্ত শরীরে জ্বলে! তুমি- উফঃ শুধু মার কাটের কথা, রক্তের কথা- বিষাদ যন্ত্রণা। আমি- কি ভাল লাগে না, জানতাম। তাই বুঝি; সবসময় পেলবতা আমার দুটি চোখে দেখতে চেয়েছিলে? কি ঠিক বললাম তাই তো? তুমি- তা তুমি, যাই বল ঠিক। আর যা বেঠিক, তাও শুনতে ঠিক মনে হয়। আর তাই শেষ জীবনের পাতা ঝরা বসন্তে যখন ফুলের রঙিন শোভা নিয়ে- আত্মার অংশের কথা, গল্প, কবিতা বলতে, বলতে; এসে ছুঁয়ে দিলে- আমার বুক। আমার মনে হল যেন অপেক্ষায় ছিলাম- একদিন পাবো এমন অলীক সুখ। আমি- আহাঃ খুব হয়েছে- দুঃখবিলাসী তুমি, সুখ দিয়ে কি করবে? তোমার তো ওই একই কথা- চলে যাবো, দূরে কোথাও দূরে-দূরে। তুমি- তাই কি তুমি কল্পনার রঙে একা হাতেই নিজের শূন্য সিঁথি লাল করলে? তাই কি তুমি আমাকে ভরা শ্রাবণে ভাসিয়ে চলে গেলে। আমি- না- গো কি করে চলে যেতে পা...